অন্যন্য

সংবহন ও রক্ত সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন-Very Short Type Questions

সংবহন ও রক্ত সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন-Very Short Type Questions

Q. জীবদেহে সংবহনের প্রয়োজনীয়তা কি?

Advertisement 30% Off, West Bengal Auxiliary Nursing & Midwifery And General Nursing & Midwifery Guide Book (Bengali Version)

Ans.: জীবদেহে সংবহনের প্রয়োজনীয়তা হল—পুষ্টিরস, শ্বাসবায়ু, হরমোন, বিপাকজাত রেচন পদার্থ প্রভৃতি পরিবহন করা।

Q. পরিবহন কাকে বলে?

Ans. উদ্ভিদদেহে জল, জলে দ্রবীভূত খনিজ লবণ ও খাদ্যরস যথাক্রমে, জাইলেম ও

ফ্লোয়েমের মাধ্যমে পরিবাহিত হওয়াকে পরিবহন বলে।

Q. মূলজ চাপ কাকে বলে?

Ans: যে চাপের সৃষ্টি হয়, তাকে মূলজ চাপ বলে।

Q. রসের উৎস্রোত বলতে কি বোঝ?

Ans: যে প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের মূলরোম দ্বারা শোষিত জল ও জলে দ্রবীভূত খনিজ লবণ সংবহন কলার মাধ্যমে ঊর্ধ্বমুখে বাহিত হয়ে পাতায় পৌঁছয়, তাকে রসের উৎস্রোত বলে

Q.বাষ্পমোচন কাকে বলে?

Ans:যে জৈবনিক প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদদেহ থেকে প্রয়োজনাতিরিক্ত জল প্রধানতঃ দ্বারা বাষ্পাকারে বাইরে নির্গত হয়, তাকে বাষ্পমোচন বলে।

Q. উদ্ভিদদেহের সংবহন কলার নাম লেখ।

Ans: উদ্ভিদদেহে সংবহন কলার নাম জাইলেম ও ফ্লোয়েম।

 

Q. জাইলেম কি এবং এর কাজ কি?

Ans: জাইলেম উদ্ভিদের একপ্রকার জটিল ও মৃত সংবহন কলা। এর দ্বারা উদ্ভিদ মূল

দিয়ে শোষিত জল পাতায় প্রেরণ করে।

Q.অভিস্রবণ কাকে বলে?

Ans: দুটি সমপ্রকৃতির ভিন্ন ঘনত্বযুক্ত তরল পদার্থ একটি অর্ধভেদ্য পর্দা দ্বারা পৃথক করে রাখলে লঘু ঘনত্বযুক্ত পদার্থ থেকে কেবলমাত্র দ্রাবকের অণুগুলি গাঢ় ঘনত্বযুক্ত তরল পদার্থের দিকে প্রবাহিত হয়। এই ঘটনাকেই অভিস্রবণ বলে।

Q. উদ্ভিদে মূলরোম দ্বারা জলশোষণে সহায়ক দুটি শারীরবৃত্তীয় পদ্ধতির নাম উল্লেখ কর।

Ans. ব্যাপন ও অভিস্রবণ।

Q. পাতায় প্রস্তুত খাদ্য কোন কলার মাধ্যমে উদ্ভিদদেহে সঞ্চারিত হয়?

Ans. ফ্লোয়েম কলার মাধ্যমে।

Q. বাষ্পমোচনজনিত টান উদ্ভিদের কোন অঙ্গে সৃষ্ট হয় ও উদ্ভিদের কোন শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে?

Ans: উদ্ভিদের কাণ্ডে। এটি উদ্ভিদের সংবহন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে।

Q. বাষ্পমোচন প্রধানত উদ্ভিদের কোন অঙ্গের মাধ্যমে ঘটে?

Ans: পাতার মাধ্যমে।

Q. উদ্ভিদের মূলে মৃত জাইলেম-নালিকায় বেষ্টনকারী প্যারেনকাইমা কোষ থেকে কিভাবে

জল প্রবেশ করে?

Ans: মূলজ চাপের প্রভাবে প্যারেনকাইমা কোষ থেকে জল জাইলেম নালিকায় প্রবেশ করে।

Q. রক্ত কাকে বলে?

Ans. রক্ত একপ্রকার অস্বচ্ছ, লবণাক্ত, ক্ষারধর্মী তরল যোজক কলা।

Q. প্লাজমা ছাড়া স্তন্যপায়ী প্রাণীর রক্তের অপর যেকোন দুটি উপাদানের নাম কর।

Ans. লোহিত রক্তকণিকা ও শ্বেত রক্তকণিকা।

Q. রক্তের লোহিত কণিকার কাজ কি? মানুষের লোহিত কণিকায় নিউক্লিয়াস আছে কি?

Ans.: লোহিত কণিকা রক্তে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবহন করে। মানুষের পরিণত লোহিত কণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না।

Q. হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজ কি?

Ans: রক্তের হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অক্সি-হিমোগ্লোবিন ও কার্বন ডাই অক্সাইডের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কার্যামিনো-হিমোগ্লোবিন গঠন করে যথাক্রমে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইড পরিবহন করে।

Q. রক্তকে যোজক কলা বলা হয় কেন?

Ans: রক্তকে যোজক কলা বলার কারণ (i) রক্ত মেসোডার্ম থেকে উৎপন্ন হয়,

(ii) রক্তে ধাত্রের পরিমাণ বেশি থাকে,

(ii) রক্ত বিভিন্ন অঙ্গের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে।

Q. রক্তের সাকার উপাদানগুলি কি কি?

Ans: লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা ও অণুচক্রিকা।

Q. শ্বেত কণিকা কয় প্রকার ও কি কি?

Ans: শ্বেত কণিকা পাঁচ প্রকার—নিউট্রোফিল, ইওসিনোফিল, বেসোফিল,

ও মনোসাইট।

Q. রক্তের রং লাল কেন?

Ans: রক্তে হিমোগ্লোবিন নামক লাল রঙের শ্বাসরঞ্জক থাকায় রক্তের রং লাল হয়।

Q. অলিন্দ ও নিলয়ের দুটি করে পার্থক্য উল্লেখ কর।

 

Ans.: (i) অলিন্দ হল হৃৎপিণ্ডের ওপরের প্রকোষ্ঠ কিন্তু নিলয় হল হৃৎপিণ্ডের নীচের প্রকোষ্ঠ। (ii) অলিন্দের

অন্তঃপ্রাচীর মসৃণ।

Q. রক্ততঞ্চন কাকে বলে?

Ans.: যে প্রক্রিয়ায় রক্তবাহ থেকে নির্গত রক্ত অর্থকঠিন জেলিসদৃশ পদার্থে রূপান্তরিত হয়, তাকে রক্ততঞ্চন বলে।

Q. রক্তের গ্রুপগুলি কি কি?

Ans. রক্তের গ্রুপগুলি হল— A, B, AB এবং O

Q. রক্ত ও লসিকার দুটি করে পার্থক্য লেখ।

Ans.: (i) রক্ত কোষবহুল, ক্ষারধর্মী, সাম্র, অস্বচ্ছ ও লাল বর্ণের তরল পদার্থ,

লসিকা স্বল্প কোষযুক্ত, সামান্য ক্ষারধর্মী, হালকা হলুদ বর্ণের তরল পদার্থ।

কিন্তু

(ii) রক্তে লোহিত কণিকা, শ্বেত কণিকা ও অণুচক্রিকা বর্তমান, কিন্তু লসিকায় কেবল শ্বেত কণিকা বর্তমান।

Q. হিমোসায়ানিন কি?

Ans. হিমোসায়ানিন অমেরুদণ্ডী প্রাণী যেমন—চিংড়ির রক্তে অবস্থিত একপ্রকার তাম্রঘটিত শ্বাসরঞ্জক, যার উপস্থিতিতে রক্তের বর্ণ নীলাভ-সবুজ হয়।

Q. হিমোগ্লোবিন কি?

Ans. হিমোগ্লোবিন একপ্রকার লৌহঘটিত শ্বাসরঞ্জক, যার উপস্থিতিতে রক্তের বর্ণ লাল

হয়।

Q. লিম্ফোসাইট ও মনোসাইট এর কাজ কি?

Ans: লিম্ফোসাইট অনাক্রম্যতা রক্ষা করে এবং মনোসাইট ফ্যাগোসাইটোসিস পদ্ধতিতে

জীবাণু ধ্বংস করে।

Q. ইওসিনোফিল ও বেসোফিলের কাজ কি?

Ans:ইওসিনোফিল অ্যালার্জি প্রতিরোধ করে এবং বেসোফিল হেপারিন নিঃসরণ করে।

Q. অ্যান্টিজেন কাকে বলে?

Ans: শরীরের রক্তে বাইরে থেকে যে ছোট প্রোটিনকণা প্রবেশের ফলে রক্তে প্রতিরোধ

ব্যবস্থা বা অ্যান্টিবডির সৃষ্টি হয়, সেই ছোট প্রোটিনকণাকে অ্যান্টিজেন বলে।

Q. অ্যান্টিবডি কাকে বলে?

Ans: বাইরে থেকে প্রবিষ্ট অ্যান্টিজেনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য

শরীরের রক্তে যে প্রোটিনকণার সৃষ্টি হয়, তাকে অ্যান্টিবডি বলে।

Q. ইমিউনিটি কাকে বলে?

Ans. অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে দেহে প্রবিষ্ট রোগজীবাণু বা অ্যান্টিজেন প্রতিহত করার ক্ষমতাকে ইমিউনিটি বলে। এটি শ্বেত রক্তকণিকার কাজ।

Q. রক্ততঞ্চনের উদ্দেশ্য কি?

Ans: আঘাতপ্রাপ্ত স্থান থেকে রক্তক্ষরণ বন্ধ করাই হল রক্ততঞ্চনের উদ্দেশ্য।

Q. রক্ততঞ্চনে অংশগ্রহণকারী উপাদানগুলি কি কি?

Ans: রক্ততঞ্চনে অংশগ্রহণকারী উপাদানগুলি হল—ফাইব্রিনোজেন, প্রোথ্ৰম্বিন, Cath

এবং থ্রম্বোকাইনেজ এনজাইম।

রক্ত রক্তবাহের মধ্যে জমাট বাঁধে না

Ans.: রক্তে তঞ্চনরোধক পদার্থ হিসাবে হেপারিন থাকে এবং রক্তনালীর ভেতরের তল মসৃণ হয়। ফলে অনুচক্রিকাগুলি ভাঙে না এবং থ্রম্বোকাইনেজ নিঃসৃত হয় না। এই কারণে রক্ত

রক্তবাহে জমাট বাঁধে না।

Q. পলিসাইথিমিয়া কাকে বলে?

Ans.: রক্তে লোহিত কণিকার সংখ্যা বেড়ে গেলে তাকে পলিসাইখিমিয়া বলে।

Q. অলিগোসাইথিমিয়া কাকে বলে?

Ans.: রক্তে লোহিত কণিকার সংখ্যা কমে গেলে তাকে অলিগোসাইথিমিয়া বলে।

Q. লিউকেমিয়া কাকে বলে?

Ans. : রক্তে শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক বেড়ে যাওয়াকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যা

বলে।

Q. লিউকোপিনিয়া কি?

Ans.: রক্তে শ্বেত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়াকে লিউকোপিনি

বলে।

Q. সিরাম কি?

Ans. রক্তকণিকা, ফাইব্রিনোজেন ও প্রোগ্রাম্বিন নামক প্রোটিনবিহীন রক্তের জলীয়

অংশকে সিরাম বলে।

Q. রক্তচাপ কাকে বলে?

Ans: রক্ত রক্তবাহের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় রক্তবাহে যে পার্শ্বীয় চাপ সৃষ্টি করে, তাকে রক্তচাপ বলে।

Q. একজন মানুষের স্বাভাবিক রক্তচাপ কত?

Ans.: একজন প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ লোকের স্বাভাবিক রক্তচাপ–120/80mm Hg অর্থাৎ সিস্টোলিক চাপ 120mm Hg এবং ডায়াস্টোলিক চাপ 80mm Hgl

Q. সার্বজনীন দাতা ও সার্বজনীন গ্রহীতা বলতে কি বোঝ?

Ans.: ‘O’ গ্রুপের রক্ত অন্যান্য সকল গ্রুপের মানুষকে দেওয়া যায়, তাই এই গ্রুপকে

সার্বজনীন দাতা বলা হয়। আবার, ‘AB’ গ্রুপের রক্তবহনকারী ব্যক্তি কেবল ‘AB’ গ্রুপের মানুষকেই তা দান করতে পারে, কিন্তু এরা অন্যান্য সমস্ত গ্রুপের রক্ত গ্রহণে সমর্থ, তাই ‘AB’ গ্রুপকে সার্বজনীন গ্রহীতা বলা হয়।

Q. লসিকা গ্রন্থি কোথায় থাকে?

Ans: লসিকাবাহের স্থানে স্থানে যে স্ফীত গ্রন্থি বর্তমান, তাকে লসিকা গ্রন্থি বলে এবং ঘাড়ে, বগলে, কুঁচকিতে এরা অবস্থান করে।

Q. লসিকার দুটি কাজ উল্লেখ কর।

Ans.: (i) লসিকা কোষে কোষে পুষ্টিরস ও অক্সিজেন সরবরাহ করে। (ii) বিপাকীয়
দূষিত পদার্থগুলিকে রক্তস্রোতে চালনা করে।

Q. সংবহনতন্ত্র বলতে কি বোঝ?

Ans: সংবহনে অংশগ্রহণকারী অঙ্গগুলি মিলিত হয়ে যে তন্ত্র গঠন করে, তাকে

সংবহনতন্ত্র বলে।

Q. মুক্ত সংবহনতন্ত্র কাকে বলে?

Ans:যে সংবহনতন্ত্রে রক্ত কেবল রক্তবাহের মধ্যে আবদ্ধ না থেকে দেহগহ্বরে বা সাইনাসে মুক্ত হয় এবং দেহকোষের প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে আসে, তাকে মুক্ত সংবহনতন্ত্র বলে। যেমন, চিংড়ির সংবহনতন্ত্র মুক্ত।

Q.বন্ধ সংবহনতন্ত্র
কাকে বলে?

Ans. যে সংবহনতন্ত্রে রক্ত সর্বদাই হৃৎপিণ্ড এবং রক্তবাহের মধ্যে আবদ্ধ থেকে | সংবাহিত হয় এবং কখনই দেহকোষের প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে আসে না, তাকে বন্ধ সংবহনতন্ত্র বলে।

Q. রক্তসংবহনতন্ত্রের উপাদানগুলি কি কি?

Ans: রক্তসংবহনতন্ত্রের উপাদানগুলি হল রক্ত, হৃৎপিণ্ড এবং রক্তবাহ (শিরা, ধমনী ও জ্বালক)।

Q. প্রতি মিনিটে হৃৎস্পন্দন কতবার হয়?

 

Ans. প্রতি মিনিটে একজন প্রাপ্তবয়স্ক লোকের 70-90 বার (গড়ে 72 বার) হৃৎস্পন্দন।

Q. মানুষের হৃৎপিণ্ড কোথায় অবস্থিত?

Ans: বক্ষগহ্বরে দুটি ফুসফুসের মাঝখানে কিছুটা বামদিকে পেরিকার্ডিয়ান পর্দা দ্বারা

আবৃত থাকে মানুষের হৃৎপিগুটি।

Q. মুক্ত সংবহনতন্ত্রের উপাদানগুলি কি কি?

Ans:মুক্ত সংবহনতন্ত্রের উপাদান—রক্ত, হিমোসিল,

Q. বদ্ধ সংবহনতন্ত্রের উপাদানগুলি কি কি?

Ans.: বদ্ধ সংবহনতন্ত্রের উপাদান—রক্ত, শিরা, ধমনী, জালক ও হৃৎপিণ্ড।

Q. সিস্টেমিক সংবহন কাকে বলে?

Ans.: যে সংবহনে রক্ত হৃৎপিণ্ড থেকে ধর্মনীপথে দেহের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে এবং দেহের বিভিন্ন অংশ থেকে পুনরায় শিরাপথে হৃৎপিণ্ডে ফিরে আসে, তাকে সিস্টেমিক

সংবহন বলে।

55. পোর্টাল সংবহন কাকে বলে?

Ans.: যে সংবহনে রক্ত দেহের পশ্চাৎ অংশ থেকে পোর্টাল শিরার মাধ্যমে যকৃতে অথবা

বুঝে আসে এবং সেখান থেকে বিশেষ শিরা দিয়ে হৃৎপিণ্ডে ফিরে আসে, তাকে পোর্টাল সাংবহন বলে।

Q. শিরা ও ধমনীর যে কোন দুটি গঠনগত পার্থক্য উল্লেখ কর।

Ans.: রচনাধর্মী 38 নং প্রশ্নের (d)-এর (ii) ও (ii) নং point দেখ।

Q. ভেনাস হৃৎপিণ্ড কাকে বলে?

Ans.: যে হৃৎপিণ্ডে সর্বদা দূষিত রক্ত (CO2-সমৃদ্ধ) প্রবাহিত হয়, তাকে ভেনাস হৃৎপিণ্ড বলে। যেমন—মাছের হৃৎপিণ্ড

Q. একচক্রী হৃৎপিণ্ড কি?

Ans.: মাছের হৃৎপিণ্ডে রক্ত একটি

হৃৎপিণ্ড বলে।

Q. চক্র হৃৎপিণ্ড কাকে বলে?

Ans. যে হৃৎপিণ্ডে দুষিত রক্ত ও বিশুদ্ধ রক্ত পৃথকভাবে দুটি চক্রে সংবাহিত হয়, তাকে চিক্র হৃৎপিণ্ড বলে।

Q. সিস্টোল ও ডায়াস্টোল কাকে বলে?

Ans: হৃৎপিণ্ডের সংকোচনকে সিস্টোল ও প্রসারণকে ডায়াস্টোল বলে।

Q. ত্রিপত্র বা ট্রাইকাসপিড কপাটিকা কাকে বলে?

Ans.: হৃৎপিণ্ডের ডান অলিন্দ ও ডান নিলয়ের মাঝে যে তিনটি পত্রযুক্ত কপাটিকা থাকে, তাকে ত্রিপত্র বা ট্রাইকাসপিড কপাটিকা বলে।

Q. দ্বিপত্র বা বাইকাসপিড বা মিট্রাল কপাটিকা কি?

Ans.: হৃৎপিণ্ডের বাম অলিন্দ ও বাম নিলয়ের মাঝে যে দুইটি পত্রযুক্ত কপাটিকা বিদ্যমান, তাকে দ্বিপত্র বা বাইকাসপিড বা মিট্রাল কপাটিকা বলা হয়।

Q. সেমিলিউনার কপাটিকা কি?

Ans: ডান নিলয় ও ফুসফুস ধমনীর মাঝে এবং বাম নিলয় ও মহাধমনীর মাঝে যে

কপাটিকা থাকে, তাকে সেমিলিউনার কপাটিকা বলে।

Q. মিট্রাল ভালবের কাজ কি?

Ans: রক্তকে বাম অলিন্দ থেকে বাম নিলয়ে যেতে সাহায্য করে, কিন্তু বিপরীত পথে

যেতে বাধা দেয়।

Q. ত্রিপত্র কপাটিকার কাজ কি?

Ans.: রক্তকে ডান অলিন্দ থেকে ডান নিলয়ে যেতে সাহায্য করে, কিন্তু বিপরীত পথে

যেতে বাধা দেয়।

Q. লসিকা গ্রন্থির কাজ কি?

Ans.: রোগজীবাণু ধ্বংস করাই লসিকা গ্রন্থির প্রধান কাজ।

Q. কর্ডিটেনডনি কাকে বলে?

Ans.: দ্বিপত্র ও ত্রিপত্র কপাটিকাগুলি যে পেশীতন্তুর সাহায্যে নিলয়ে মেঝের সঙ্গে যুক্ত

থাকে, তাকে কর্ডিটেনডনি বলে।

Q. কলামনি করনি কি?

Ans.: হৃৎপিণ্ডের নিলয়ে অবস্থিত পেশীময় খাঁজগুলিকে কলামনি করনি বলে।

Q. করোনারি সাইনাস কি?

Ans: হৃৎপেশী থেকে দূষিত রক্ত যে ছিদ্রপথে হৃৎপিণ্ডের ডান নিলয়ে ফিরে আসে, তাকে করোনারি সাইনাস বলে।

Q. মানব হৃৎপিণ্ডের বাম অলিন্দ ও দক্ষিণ নিলয়ের কাজ কি?

Ans.: (a) রচনাধর্মী 30 নং প্রশ্নের (b)-এর উত্তর থেকে লেখ।

 

Leave a Response

সাবক্রাইব করে পাশে থাকুন 😷

30,000+ আমাদের পরিবারে যুক্ত হয়েছেন। আপনিও সাবক্রাইবার করে যুক্ত হোন।